Home / Suggestion / Primary Teacher Examination Final Suggestion 2019

Primary Teacher Examination Final Suggestion 2019

Primary Teacher Examination Final Suggestion 2019 has published by our website. For those who are thinking of studying the primary teacher recruitment, easy readings for them. The best suggestion of the primary teacher examination 2018 final suggestion. Most people thinking that, what i will read? It is a very easy suggestion for them. To get Primary Teacher Examination Final Suggestion 2018 related all information,you can visit my website that is bdlatest24hrs.com

 

Join our Facebook Group Get job update & discuss about Job related Topics.

Like Our Page&Facebook Group

Primary Teacher Examination Final Suggestion 2019

 

প্রাইমারী প্রস্তুতি –টপিক–বাংলা–২য় ইনশাল্লাহ ৮ মার্ক কমন থাকবে এখান থেকে।

একবারে প্রথম থেকে সব গুলার শর্টকাট দিলাম ইনশাল্লাহ ২-৩ ঘন্টা সময় নিয়ে পড়েন আশাকরি কাজে আসবে।
Next update:: Math & English
বাংলা_ব্যাকরণ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষার ফাইনাল সাজেশন ২০১৮ঃ প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত চুড়ান্ত
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষার  ফাইনাল সাজেশন ২০১৮ঃ প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত চুড়ান্ত

শব্দ

অর্থগত ভাবে শব্দসমূহকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়-

১. যৌগিক শব্দ
যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, তাদের যৌগিক শব্দ বলে।

অর্থাৎ, শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যাদের অর্থ পরিবর্তিত হয় না, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলে।

২. রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ

প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ আলাদা হয়, তাদেরকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।

৩. যোগরূঢ় শব্দ

সমাস নিষ্পন্ন যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ আর ব্যবহারিক অর্থ আলাদা হয়, তাদেরকে যোগরূঢ় শব্দ বলে।

৪. নবসৃষ্ট বা পরিশব্দ বা পারিভাষিক শব্দ

বিভিন্ন বিদেশি শব্দের অনুকরণে ভাবানুবাদমূলক যেসব প্রতিশব্দ সৃষ্টি করা হয়েছে, সেগুলোকে নবসৃষ্ট বা পরিশব্দ বা পারিভাষিক শব্দ বলে। মূলত প্রচলিত বিদেশি শব্দেরই এরকম পারিভাষিক শব্দ তৈরি করা হয়েছে।

শব্দের গঠনমূলক শ্রেণীবিভাগ

গঠন অনুসারে শব্দ ২ প্রকার-

১. মৌলিক শব্দ

যে সব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আর কোন শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। অর্থাৎ, যে সব শব্দকে ভাঙলে আর কোন অর্থসঙ্গতিপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন- গোলাপ, নাক, লাল, তিন, ইত্যাদি।

এই শব্দগুলোকে আর ভাঙা যায় না, বা বিশ্লেষণ করা যায় না। আর যদি ভেঙে নতুন শব্দ পাওয়াও যায়, তার সঙ্গে শব্দটির কোন অর্থসঙ্গতি থাকে না। যেমন, উদাহরণের গোলাপ শব্দটি ভাঙলে গোল শব্দটি পাওয়া যায়। কিন্তু গোলাপ শব্দটি গোল শব্দ থেকে গঠিত হয়নি। এই দুটি শব্দের মাঝে কোন অর্থসঙ্গতিও নেই। তেমনি নাক ভেঙে না বানানো গেলেও নাক না থেকে আসেনি। অর্থাৎ, এই শব্দগুলোই মৌলিক শব্দ। ‘গোলাপ’ শব্দটির সঙ্গে ‘ই’ প্রত্যয় যোগ করে আমরা ‘গোলাপী’ শব্দটি বানাতে পারি। তেমনি ‘নাক’-র সঙ্গে ‘ফুল’ শব্দটি যোগ করে আমরা ‘নাকফুল’ শব্দটি গঠন করতে পারি।

২. সাধিত শব্দ

যে সব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে অর্থসঙ্গতিপূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ পাওয়া যায়, তাদেরকে সাধিত শব্দ বলে। মূলত, মৌলিক শব্দ থেকেই বিভিন্ন ব্যাকরণসিদ্ধ প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ গঠিত হয়।

মৌলিক শব্দ সমাসবদ্ধ হয়ে কিংবা প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত হয়ে সাধিত শব্দ গঠিত হয়। যেমন-

সমাসবদ্ধ হয়ে- চাঁদের মত মুখ = চাঁদমুখ
প্রত্যয় সাধিত- ডুব+উরি = ডুবুরি
উপসর্গযোগে- প্র+শাসন = প্রশাসন
শ্রেণীবিভাগ

উৎপত্তিগত দিক দিয়ে শব্দের ৫টি বিভাজন হলো- তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি আর বিদেশি শব্দ।

১. তৎসম শব্দ:

সংস্কৃত ভাষার যে সব শব্দ প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়নি, বরং সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সে সব শব্দকেই বলা হয় তৎসম শব্দ। উদাহরণ- চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য,

অনেক তৎসম শব্দেরই অর্ধ-তৎসম ও তদ্ভব রূপও বাংলায় ব্যবহৃত হয়। যেমন, সূর্য˃ সুরুয, মনুষ্য˃ মানুষ।

শুধু তৎসম শব্দেই ষ, ণ ব্যবহৃত হয়।

২. অর্ধ-তৎসম শব্দ:

যে সব সংস্কৃত শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে বলা হয় অর্ধ-তৎসম। এগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকেই কিছুটা সহজ আকারে গৃহীত হয়েছে। সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত বা অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে বাংলায় আসেনি। যেমন, জ্যোৎস্না˂ জ্যোছনা, শ্রাদ্ধ˂ ছেরাদ্দ, গৃহিণী˂ গিন্নী, বৈষ্ণব˂ বোষ্টম, কুৎসিত˂ কুচ্ছিত।

৩. তদ্ভব শব্দ:

বাংলা ভাষা গঠনের সময় প্রাকৃত বা অপভ্রংশ থেকে যে সব শব্দ পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছিলো, সেগুলোকেই বলা হয় তদ্ভব শব্দ। অবশ্য, তদ্ভব শব্দের মূল অবশ্যই সংস্কৃত ভাষায় থাকতে হবে। অর্থাৎ, যে সব শব্দ সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃত বা অপভ্রংশে ব্যবহৃত হয়েছিলো, পরে আবার প্রাকৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকেই বলা হয় তদ্ভব শব্দ। বাংলা ভাষার উৎপত্তির ইতিহাস থেকেই বোঝা যায়, মূলত এই শব্দগুলোই বাংলা ভাষা গঠন করেছে। আর তাই এই শব্দগুলোকে বলা হয় খাঁটি বাংলা শব্দ। যেমন, সংস্কৃত ‘হস্ত’ শব্দটি প্রাকৃততে ‘হত্থ’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। আর বাংলায় এসে সেটা আরো সহজ হতে গিয়ে হয়ে গেছে ‘হাত’। তেমনি, চর্মকার˂ চম্মআর˂ চামার,

৪.দেশি শব্দ:

বাংলা ভাষাভাষীদের ভূখণ্ডে অনেক আদিকাল থেকে যারা বাস করতো, সেইসব আদিবাসীদের ভাষার যে সব শব্দ বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সে সব শব্দকে বলা হয় দেশি শব্দ। এই আদিবাসীদের মধ্যে আছে- কোল, মুণ্ডা, ভীম, ইত্যাদি। মেমন, কুড়ি (বিশ)- কোলভাষা, পেট (উদর)- তামিল ভাষা, চুলা (উনুন)- মুণ্ডারী ভাষা।

৫. বিদেশি শব্দ:

বিভিন্ন সময়ে বাংলা ভাষাভাষী মানুষেরা অন্য ভাষাভাষীর মানুষের সংস্পর্শে এসে তাদের ভাষা থেকে যে সব শব্দ গ্রহণ করেছে, বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডারে অন্য ভাষার শব্দ গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে বলা হয় বিদেশি শব্দ। যে কোনো ভাষার সমৃদ্ধির জন্য বিদেশি শব্দের আত্মীকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এদিক দিয়ে বাংলা ভাষা বেশ উদারও বটে।

আরবি শব্দ : আল্লাহ, ইসলাম, ঈমান, ওযু, কোরবানি, কুরআন, কিয়ামত, গোসল, জান্নাত, জাহান্নাম, হওবা, হসবি, যাকাত, হজ, হাদিস, হারাম, হালাল
আদালত, আলেম, ইনসান, ঈদ, উকিল, ওজর, এজলাস, এলেম, কানুন, কলম, কিতাব, কেচ্ছা, খারিজ, গায়েব, দোয়াত, নগদ, বাকি, মহকুমা, মুন্সেফ, মোক্তার, রায়

ফারসি শব্দ: খোদা, গুনাহ, দোযখ, নামায, পয়গম্বর, ফেরেশতা, বেহেশত, রোযা
কারখানা, চশমা, জবানবন্দি, তারিখ, তোশক, দফতর, দরবার, দোকান,দস্তখত, দৌলত, নালিশ, বাদশাহ, বান্দা, বেগম, মেথর, রসদ
আদমি, আমদানি, জানোয়ার, জিন্দা, নমুনা, বদমাস, রফতানি, হাঙ্গামা

ইংরেজি শব্দ: প্রায় অপরিবর্তিত উচ্চারণে- চেয়ার, টেবিল
পরিবর্তিত উচ্চারণে- আফিম (opium), ইস্কুল (school), বাক্স (box), হাসপাতাল (hospitai), বোতল (bottle)

পর্তুগিজ শব্দ : আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি
ফরাসি শব্দ : কার্তুজ, কুপন , ডিপো, রেস্তোঁরা
ওলন্দাজ শব্দ : ইস্কাপন, টেক্কা, তুরুপ, রুইতন, হরতন (তাসের নাম)
গুজরাটি শব্দ : খদ্দর, হরতাল
পাঞ্জাবি শব্দ : চাহিদা, শিখ
তুর্কি শব্দ : চাকর, চাকু, তোপ, দারোগা
চিনা শব্দ : চা, চিনি, লুচি

.

১. ‘রাবণের চিতা’ বাগধারা টির অর্থ কী
উত্তর : চির-অশান্তি
২. যার কোন মূল্য নেই,তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কোনটা হয?
উত্তর :ঢাকের বাঁয়া
৩. বাংলা লিপির উৎস কী?
উত্তর : ব্রাক্ষী লিপি
৪. দ্যুলোক’ শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ কি?
উত্তর : দিব+লোক
৫. লেবু শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
উত্তর : আরবি
৬. পদাশ্রিত নির্দেশক সাধারণ পদের কোথায় বসে?
উত্তর :শেষে
৭. টি, টা, খানা, খানি নির্দেশকগুলো কখন ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: একবচনে
৮. টো’ পদাশ্রিত নির্দেশকটি কেবল কোন সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর :দুই
৯. নির্দিষ্টতা’ বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে কোনটি যুক্ত হয়?
উত্তর :টি
১০. কোন পদাশ্রিত নির্দেশকটি নির্দিষ্টতা ও অনির্দিষ্টতা উভয়ই বোঝায়?
#বাংলা_ব্যাকরণ বিষয়: উপস্বর্গ।
———————————–
যে সকল অব্যয় বা শব্দাংশ ধাতু বা কৃদন্ত পদের পূর্বে যুক্ত হয়ে অর্থের সম্প্রসারণ, সংকোচন, পরিবর্তন ও নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপস্বর্গ বলে।
যেমন: উপ+কার=উপকার
প্রতি+কার=প্রতিকার
এখানে ‘ উপ এবং প্রতি’ হল উপস্বর্গ এবং ‘ কার’ হলো ধাতু।
বাংলা ভাষায় মোট ৬২ টি উপস্বর্গ ব্যবহার হয়!
তবে আরও দুইটা নতুন উপস্বর্গ ব্যবহার দেখা দিয়েছে! সেই হিসেবে মোট ৬৪ টি উপস্বর্গ।
১। সংস্কৃত উপস্বর্গ : ২০+/-২ = ২২ টি
২। খাটি বাংলা উপস্বর্গ : ২১ টি
৩। বিদেশী উপস্বর্গ : ( আরবি৬+ফারসি১১+ইংরেজি ৪) ২১ টি।
…….বন্ধুরা সবাই এই উপস্বর্গ গুলো মুখস্থ করে ফেলুন

#বাংলা_ব্যাকরণ
খুব গুরুত্বপূর্ণ 120টি বাগধারা …
পরীক্ষায় সাধারণত এখান থেকেই ঘুরে ফিরে আসে।

1) অকাল কুষ্মাণ্ড = (অপদার্থ, অকেজো)
2) অক্কা পাওয়া = (মারা যাওয়া)
3) অগস্ত্য যাত্রা = (চির দিনের জন্য প্রস্থান)
4) অগাধ জলের মাছ = (সুচতুর ব্যক্তি)
5) অর্ধচন্দ্র = (গলা ধাক্কা)
6) অন্ধের যষ্ঠি = (একমাত্র অবলম্বন)
7) অন্ধের নড়ি = (একমাত্র অবলম্বন)
8) অগ্নিশর্মা = (নিরতিশয় ক্রুদ্ধ)
9) অগ্নিপরীক্ষা =(কঠিন পরীক্ষা)
10) অগ্নিশর্মা = (ক্ষিপ্ত)

11) অগাধ জলের মাছ = (খুব চালাক)
12) অতি চালাকের গলায় দড়ি = (বেশি চাতুর্যর পরিণাম)
13) অতি লোভে তাঁতি নষ্ট = (লোভে ক্ষতি)
14) অদৃষ্টের পরিহাস = (বিধির বিড়ম্বনা)
15) অর্ধচন্দ্র দেওয়া = (গলা ধাক্কা দিয়ে দেয়া)
16) অষ্টরম্ভা = (ফাঁকি)
17) অথৈ জলে পড়া = (খুব বিপদে পড়া)
18) অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
19) অমৃতে অরুচি = (দামি জিনিসের প্রতি বিতৃষ্ণা)
20) অন্ধকারে ঢিল মারা = (আন্দাজে কাজ করা)
21) অকূল পাথার = (ভীষণ বিপদ)
22) অনুরোধে ঢেঁকি গেলা = (অনুরোধে দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতে সম্মতি দেয়া)
23) অদৃষ্টের পরিহাস = (ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা)
24) অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী = (সামান্য বিদ্যার অহংকার)
25) অনধিকার চর্চা = (সীমার বাইরে পদক্ষেপ)
26) অরণ্যে রোদন = (নিষ্ফল আবেদন)
27) অহিনকুল সম্বন্ধ = (ভীষণ শত্রুতা)
28) অন্ধকার দেখা = (দিশেহারা হয়ে পড়া)
29) অমাবস্যার চাঁদ = (দুর্লভ বস্তু)
30) আকাশ কুসুম = (অসম্ভব কল্পনা)
31) আকাশ পাতাল =(প্রভেদ) (প্রচুর ব্যবধান)
32) আকাশ থেকে পড়া = (অপ্রত্যাশিত)
33) আকাশের চাঁদ = (আকাঙ্ক্ষিত বস্তু)
34) আগুন নিয়ে খেলা = (ভয়ঙ্কর বিপদ)
35) আগুনে ঘি ঢালা = (রাগ বাড়ানো)
36) আঙুল ফুলে কলাগাছ = (অপ্রত্যাশিত ধনলাভ)
37) আঠার আনা = (সমূহ সম্ভাবনা)
38) আদায় কাঁচকলায় = (তিক্ত সম্পর্ক)
39) আহ্লাদে আটখানা = (খুব খুশি)
40) আক্কেল সেলামি = (নির্বুদ্ধিতার দণ্ড)
41) আঙুল ফুলে কলাগাছ = (হঠাৎ বড়লোক)
42) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া = (দুর্লভ বস্তু প্রাপ্তি)
43) আদায় কাঁচকলায় = (শত্রুতা)
44) আদা জল খেয়ে লাগা = (প্রাণপণ চেষ্টা করা)
45) আক্কেল গুড়ুম = (হতবুদ্ধি, স্তম্ভিত)
46) আমড়া কাঠের ঢেঁকি = (অপদার্থ)
47) আকাশ ভেঙে পড়া = (ভীষণ বিপদে পড়া)
48) আমতা আমতা করা = (ইতস্তত করা, দ্বিধা করা)
49) আটকপালে = (হতভাগ্য)
50) আঠার মাসের বছর = (দীর্ঘসূত্রিতা)
51) আলালের ঘরের দুলাল = (অতি আদরে নষ্ট পুত্র)
52) আকাশে তোলা = (অতিরিক্ত প্রশংসা করা)
53) আষাঢ়ে গল্প = (আজগুবি কেচ্ছা)
54) ইঁদুর কপালে = (নিতান্ত মন্দভাগ্য)
55) ইঁচড়ে পাকা = (অকালপক্ব)
56) ইলশে গুঁড়ি = (গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি)
57) ইতর বিশেষ = (পার্থক্য)
58) উত্তম মধ্যম = (প্রহার)
59) উড়নচন্ডী = (অমিতব্যয়ী)
60) উভয় সংকট = (দুই দিকেই বিপদ)
61) উলু বনে মুক্ত ছড়ানো = (অপাত্রে/
অস্থানে মূল্যবান দ্রব্য প্রদান)
62) উড়ো চিঠি = (বেনামি পত্র)
63) উড়ে এসে জুড়ে বসা = (অনধিকারীর অধিকার)
64) উজানে কৈ = (সহজলভ্য)
65) উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে = (একের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো)
66) ঊনপাঁজুড়ে = (অপদার্থ)
67) ঊনপঞ্চাশ বায়ু = (পাগলামি)
68) এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই স্বভাবের)
69) এক চোখা = (পক্ষপাতিত্ব, পক্ষপাতদুষ্ট)
70) এক মাঘে শীত যায় না = (বিপদ এক বারই আসে না, বার বার আসে)
71) এলোপাতাড়ি = (বিশৃঙ্খলা)
72) এসপার ওসপার = (মীমাংসা)
73) একাদশে বৃহস্পতি = (সৌভাগ্যের বিষয়)
74) এক বনে দুই বাঘ = (প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী)
75) এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো = (একই দলভুক্ত)
76) এলাহি কাণ্ড = (বিরাট আয়োজন)
77) ওজন বুঝে চলা = (অবস্থা বুঝে চলা)
78) ওষুধে ধরা = (প্রার্থিত ফল পাওয়া)
79) কচুকাটা করা = (নির্মমভাবে ধ্বংস করা)
80) কচু পোড়া = (অখাদ্য)
81) কচ্ছপের কামড় = (যা সহজে ছাড়ে না)
82) কলম পেষা = (কেরানিগিরি)
83) কলুর বলদ = (এক টানা খাটুনি)
84) কথার কথা = (গুরুত্বহীন কথা)
85) কাঁঠালের আমসত্ত্ব = (অসম্ভব বস্তু)
86) কাকতাল = (আকস্মিক/দৈব যোগাযোগজাত ঘটনা)
87) কপাল ফেরা = (সৌভাগ্য লাভ)
88) কত ধানে কত চাল = (হিসেব করে চলা)
89) কড়ায় গণ্ডায় = (পুরোপুরি)
90) কান খাড়া করা =(মনোযোগী হওয়া)
91) কানকাটা (নির্লজ্জ)
92) কান ভাঙানো (কুপরামর্শ দান)
93) কান ভারি করা (কুপরামর্শ দান)
94) কাপুড়ে বাবু (বাহ্যিক সাজ)
95) কেউ কেটা (গণ্যমান্য)
96) কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
97) কেঁচো খুড়তে সাপ (বিপদজনক পরিস্থিতি)
98) কই মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
99) কুঁড়ের বাদশা (খুব অলস)
100) কাক ভূষণ্ডী (দীর্ঘজীবী)
101) কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
102) কাছা আলগা (অসাবধান)
103) কাঁচা পয়সা (নগদ উপার্জন)
104) কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অসম্ভব বস্তু)
105) কূপমণ্ডুক (সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন, ঘরকুনো)
106) কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
107) কাঠের পুতুল (নির্জীব, অসার)
108) কথায় চিঁড়ে ভেজা (ফাঁকা বুলিতে কার্যসাধন)
109) কান পাতলা (সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ)

110) কাছা ঢিলা (অসাবধান)
111) কুল কাঠের আগুন (তীব্র জ্বালা)
112) কেঁচো খুড়তে সাপ (সামান্য থেকে অসামান্য পরিস্থিতি)
113) কেউ কেটা (সামান্য)
114) কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
115) কৈ মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
116) খয়ের খাঁ (চাটুকার)
117) খণ্ড প্রলয় (ভীষণ ব্যাপার)
118) খাল কেটে কুমির আনা (বিপদ ডেকে আনা)
119) গড্ডলিকা প্রবাহ (অন্ধ অনুকরণ)
120) গদাই লস্করি চাল (অতি ধীর গতি, আলসেমি)

.

#বাংলা_ব্যাকরণ
#সমাস চেনার সহজ উপায়★
স্কুলে যখন ‘সমাস’ পড়ানো হত, তখন স্যারেরা একটু দুষ্টুমী করেই বলতেন ‘সমাস‘ শিখতে নাকি ছয় মাস লাগে।
যদিও কথাটি দুষ্টামীর ছলে বলা কিন্তু কথাটি
একটু বেশিই সত্যিই। ৬ মাস তো দূরে থাক ৬
বছরেও শিখা হলো না কোনটা কোন সমাস।
দ্বিগু সমাস কিভাবে চিনবেন জানেন? আচ্ছা,
দ্বিগু শব্দের “দ্বি ” মানে কী? দ্বিতীয় শব্দে
“দ্বি ” আছে না? আমরা ২ বুঝাতে “দ্বি ” শব্দটি
ব্যবহার করি। ২ মানে কী? একটি সংখ্যা। তাহলে
যে শব্দে সংখ্যা প্রকাশ পাবে এখন থেকে
সেটাকেই “দ্বিগু ” সমাস বলে ধরে নিবেন। যেমন
পরীক্ষায় আসলো শতাব্দী কোন সমাস? আচ্ছা
শতাব্দী মানে হল শত অব্দের সমাহার। অর্থাৎ
প্রথমেই আছে “শত ” মানে একশ, যা একটি
সংখ্যা। সুতরাং এটি দ্বিগু সমাস। একইভাবে
ত্রিপদী ( তিন পদের সমাহার)এটি ও দ্বিগু সমাস।
কারণ এখানে ও একটি সংখ্যা (৩) আছে। এবার
যেকোন ব্যাকরণ বই নিয়ে দ্বিগু সমাসের যত
উদাহরন আছে সব এই সুত্রের সাহায্যে মিলিয়ে
নিন।
এবার আসুন কর্মধারয় সমাসে। খুব বেশি আসে
পরীক্ষায় এখান থেকে। কর্মধারয় সমাসে “যে /
যিনি/যারা ” এই শব্দগুলো থাকবেই। যেমন:
চালাকচতুর – এটি কোন সমাস? চালাকচতুর মানে
‘যে চালাক সে চতুর ‘ তাহলে এখানে ‘যে ‘ কথাটি
আছে,অতএব এটি কর্মধারয় সমাস। তবে কর্মধারয়
সমাস ৪ প্রকার আছে। মুলত এই ৪ প্রকার থেকেই
প্রশ্ন বেশি হয়। প্রথমেই আসুম মধ্যপদলোপী
কর্মধারয় সমাস চিনি। নামটা খেয়াল করুন,
মধ্যপদলোপী। মানে মধ্যপদ অর্থাৎ মাঝখানের
পদটা লোপ পাবে মানে চলে যাবে। সহজ করে
বললে হয়, যেখানে মাঝখানের পদটা চলে যায়
সেটিই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ
সিংহাসন – কোন সমাস? সিংহাসন মানে ‘সিংহ
চিহ্নিত যে আসন ‘। তাহলে দেখুন এখানে ‘সিংহ
চিহ্নিত যে আসন ‘ বাক্যটি থেকে মাঝখানের
“চিহ্নিত ” শব্দটি বাদ দিলে অর্থাৎ মধ্যপদ
“চিহ্নিত ” শব্দটি লোপ পেলে হয় “সিংহাসন “।
যেহেতু মধ্যপদলোপ পেয়েছে, অতএব এটি
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
উপমান কর্মধারয় সমাস কিভাবে চিনবেন
জানেন? যদি ২টি শব্দ তুলনা করা যায় তবে সেটি
হবে উপমান কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ তুষারশুভ্র –
কোন সমাসের উদাহরন? এটি পরীক্ষায়
অনেকবার এসেছে। শব্দটি খেয়াল করুন
“তুষারশুভ্র “। তুষার মানে বরফ, আর শুভ্র মানে
সাদা। বরফ তো দেখতে সাদা। তাহলে তো এটি
তুলনা করা যায়। অতএব এটি উপমান কর্মধারয়।
একইভাবে “কাজলকালো “এটিও উপমান
কর্মধারয় সমাস। কারণ কাজল দেখতে তো কালো
রঙেরই হয়। তার মানে তুলনা করা যাচ্ছে। অতএব
এটি উপমান কর্মধারয়। এটি অন্যভাবে ও মনে
রাখা যায়। উপমান মানে Noun + Adjective. যেমন
তুষারশুভ্র শব্দটির তুষার মানে বরফ হল Noun, আর
শুভ্র মানে সাদা হল Adjective। কাজলকালো
শব্দটির কাজল হল Noun, এবং কালো হল Adjective।
অতএব Noun + Adjective = উপমান কর্মধারয় সমাস।
উপমিত কর্মধারয় মানে যেটা তুলনা করা যাবে
না। বিগত বছরের একটি প্রশ্ন ছিল :সিংহপুরুষ –
কোন সমাসের উদাহরণ? খেয়াল করুন শব্দটি।
সিংহপুরুষ মানে সিংহ আর পুরুষ। আচ্ছা সিংহ কি
কখনো পুরুষ হতে পারে নাকি পুরুষ কখনো সিংহ
হতে পারে? একটা মানুষ আর অন্যটা জন্তু, কেউ
কারো মত হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা
যাচ্ছে না। তার মানে যেহেতু তুলনা করা
যাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
চন্দ্রমুখ শব্দটি কোন সমাস? খেয়াল করুন মুখ কি
কখনো চাঁদের মত হতে পারে, নাকি চাঁদ কখনো
মুখের মত হতে পারে? কোনোটাই কোনটার মত
হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা যাচ্ছে না। তার
মানে যেহেতু তুলনা করা যাচ্ছেনা, অতএব এটি
উপমিত কর্মধারয় সমাস।
এটিও অন্যভাবে মনে রাখা যায়। উপমিত মানে
Noun+ Noun. যেমন – পুরুষসিংহ শব্দটির পুরুষ ও
সিংহ দুটোই Noun। অর্থাৎ Noun+ Noun।
একইভাবে চন্দ্রমুখ শব্দটির চন্দ্র ও মুখ দুটিই Noun
। অর্থাৎ Noun+ Noun। অতএব । অর্থাৎ Noun+
Noun= উপমিত কর্মধারয় সমাস

বাকি থাকল রুপক কর্মধারয় সমাস। এটিও খুব
সোজা। রুপ- কথাটি থাকলেই রুপক কর্মধারয়।
যেমনঃ বিষাদসিন্ধু -এটি কোন সমাস?
বিষাদসিন্ধু কে বিশ্লেষণ করলে হয় “বিষাদ রুপ
সিন্ধু “। যেহেতু এখানে রুপ কথাটি আছে, অতএব
এটি রুপক কর্মধারয় সমাস। একইভাবে মনমাঝি –
মনরুপ মাঝি, ক্রোধানল -ক্রোধ রুপ অনল, এগুলো ও
রুপক কর্মধারয় সমাস, যেহেতু রুপ কথাটা আছে।
·

#বাংলা_ব্যাকরণ
কারক চেনার সহজ উপায় :
_____________________________
১। কে? / কীসে + ক্রিয়া = কর্তৃকারক
* বাক্যের প্রধান কর্তা।
.
যেমন :
# ঘোড়ায় ( কে?) গাড়ি টানে।
# পাখি (কীসে?) সব, করে রব।
.
২। কী? / কাকে? + ক্রিয়া = কর্মকারক।
* কর্তার কাজ বোঝাবে।
.
যেমন :